যার বসন্ত তুলে
একটা দিক আর দোলনের আলো
থেকে
স্নানে আর কিছু নেই
জেনেও
প্রতিবেশির বারণগল্প
কিছু বর্ষা কুড়োলো
ভাসানো মেয়ের কোলে
ফসলের বকুল আভাস দেখ
দেওয়ালের ওইপারে
ঋতুদের দখল এসেছে অন্যদেশ
ছেড়ে
ওদের ঘরানায় কিছু কিছু খোলামুখ
এখনো শ্যাওলার নেহাত
খুলে
তারপর আমাদের বুকের
আড়াল
একটা ওড়না সরিয়ে বৈশাখও
সন্ধ্যার বিদায়
জানালো
মুঠোর আগুন ভেসে
যাচ্ছে আকাশে
আর চুলের গন্ধ যখন সুতো হয়ে এলো
একটা পথ চলে যাচ্ছে
শৈশবের দিকে
হেরে যাওয়া মাঞ্জা
লাগিয়ে
এই দাগ ঠিক হাসির
কথা মনে করায়
আর পিয়ানো বাজিয়ে
যাওয়া
বাবার ভালবাসা
আমি সন্তান চাইতে
পারিনি
শুধু শেষ লাইনটায়......হাসানের
ওড়ানো ঘুড়ি
শরীর
শৈশব ধুয়ে গেছে সন্ধ্যায়
বিকেলের ট্রেন আর সূর্য চলে যায়
হারেম ছাড়িয়ে
রমণীর আগাগোরায়
সেই চলে যাওয়া আর ফিরে আসাই
উঠোনের
পাহারা গুটিয়ে রাখে নাবিক আহ্লাদে
কোন সূর্যাস্ত নেই
জেগে থাকা মনে
শুধু খুলে রাখা সরাইখানা
আর দেখা হয়ে যাওয়া
পায়ের আশেপাশে এটুকুই চোখ
বাকিটুকু ছায়ায় শোয়ানো

No comments:
Post a Comment