এক।।
আমি চিহ্নিত।
আমার আপাদমস্তক জোয়ারের খেলা নিয়ে কোন কথা বলছে না যখন
আমার আপাদমস্তক জোয়ারের খেলা নিয়ে কোন কথা বলছে না যখন
যাকে রাস্তা বলে ভেবেছি এতদিন সেও গলির মুখে খুলে দেয় আমারই মৃতদেহ।
হায় প্রাণ তোমার এই জীবনে আর দেখা হল না
কিভাবে শহর গ্রাস করে এক একটা গ্রাম কে।
সীমানা ছাড়িয়ে।
সীমানা ছাড়িয়ে।
দুই।।
অংশত এই সময় সাবেকি
হিসেবগুলো ছাড়ানো খোসার চেয়ে বেশি কিছু না হলেও
বিগত ঘুমের মাঝামাঝি এখনো পড়ে আছে ঘুরে আসা কাচের মেয়েটা।
আর ধুয়ে রাখা শরীর।
আর ধুয়ে রাখা শরীর।
শোয়ানো আলোর পরে
অচেনা মানুষজন
অচেনা মানুষজন
নদীকে ফিরিয়ে দিল দুইভাগ তাকানো রেখে
তুমিতো পায়ের কাছে এই নিয়েই বসে থাক
দেখ সাড়ায় সাড়ায় রোদ এসে
কেমন শুকিয়ে দিল উত্তর
কেমন শুকিয়ে দিল উত্তর
বোতামের আপাত বিদায়
তিন।।
এবার অপহরণ।
নিষিদ্ধ রং আর গলির প্রথম
ঘুরে যাচ্ছে পায়ের সামিয়ানা।
পাখিরা জানিয়ে গেল আরেকটা বন্ধ দরজাও।
পাখিরা জানিয়ে গেল আরেকটা বন্ধ দরজাও।
এইসব টুকরো নিয়েই শহর ডুবে থাক
মনে পড়া গানের কথায়।
মনে পড়া গানের কথায়।
চার।।
আর
তাকাতে তাকাতেই অবসর ঝাপসা হয়ে এলে
তাকাতে তাকাতেই অবসর ঝাপসা হয়ে এলে
কোথাও নিংড়ে নেওয়া খিল্লি থেকে
কপালের রোদ আজ পানের বরজে।
কপালের রোদ আজ পানের বরজে।
ঠিক যেন গুঁজে রাখা জন্মদিন।
মেয়েটার পায়ের পাশে বেড়ে রাখা দুপুর আর
ভুলে যাওয়া অসুখগুলি।
ভুলে যাওয়া অসুখগুলি।

No comments:
Post a Comment